• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পঞ্চসার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ গজারিয়ায় নিখোঁজের ৪ দিন পর মেঘনায় মরদেহ, আটক ৪ সিরাজদিখানে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় গ্রেফতার ৩ সরকারি গাছ কেটে ব্রীজ নির্মাণ, ইউপি সদস্যের পক্ষে এলাকাবাসীর সমর্থন! উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে জাতীয় শিক্ষা পদক পেলেন মো: জাহাঙ্গীর হোসেন  শ্রীনগরে চোরাইকৃত মালামালসহ হত্যা মামলার  আসামী গ্রেফতার  শ্রীনগরে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত  আসামী গ্রেফতার  মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ ভবনের সম্মুখভাগ সংস্কার কাজের উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে ১৯ মে শুরু তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা সংবাদ সম্মেলন মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭ কেজি গাঁজাসহ তিনজন গ্রেফতার

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সতর্কবার্তা: ঐক্যবদ্ধ না হলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকিতে

Reporter Name / ২০৬ Time View
Update : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘যদি আমরা নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ না করতে পারি, যদি কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত হই, তাহলে দেশ ও জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।’ আজ মঙ্গলবার জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ড বিষয়ক এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি আজ স্পষ্ট করে বলছি, নইলে পরে আপনারা বলবেন যে আমি আপনাদের সতর্ক করিনি। আমার কোনো ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নেই। গত সাত-আট মাসে আমি যথেষ্ট দেখেছি। আমি চাই দেশ ও জাতিকে একটি সুন্দর অবস্থানে রেখে আমরা সেনানিবাসে ফিরে যাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত, আমরা নিজেরা হানাহানি ও একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত। এটি অপরাধীদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ। তারা জানে, এই অরাজক পরিস্থিতিতে অপরাধ করলে সহজেই পার পেয়ে যাবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত থাকি, তাহলে এই সমস্যা সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।’

তিনি দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইসহ বিভিন্ন সংস্থা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে। এগুলোর অসংখ্য ভালো কাজের পাশাপাশি কিছু খারাপ কাজও হয়েছে। যারা অপরাধ করেছে, তাদের শাস্তি পেতেই হবে। না হলে এই সমস্যা আবার ঘটবে। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন এসব সংস্থা দুর্বল না হয়।’

২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড স্মরণ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আজ একটি বেদনাবিধুর দিন। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আমরা ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসার এবং তাদের পরিবারের কিছু সদস্যকে হারিয়েছি। এই বর্বরতা কোনো সেনাসদস্য করেনি, এটি সম্পূর্ণরূপে তদানীন্তন বিডিআর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত। এ বিষয়ে কোনো ‘যদি’ বা ‘কিন্তু’ নেই। বিচারিক প্রক্রিয়া দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে চলছে। যারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, তাদের শাস্তি পেতেই হবে। এই বিচারিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করা উচিত নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক নেতা বা বাইরের শক্তি জড়িত ছিল কি না, তা তদন্তের জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান এ বিষয়ে তদন্ত করে সঠিক তথ্য জানাবেন।’

সেনাপ্রধান শেষে বলেন, ‘মূল কথা হলো, আমাদের চৌকস সেনাসদস্যরা তদানীন্তন বিডিআর সদস্যদের গুলিতেই প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করলে তা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category