গতকাল বৃহস্পতিবার বিসিক শিল্পনগরীর মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, অনেকটা অলসভাবেই বসে আছেন নিরাপত্তাকর্মী মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, তিন বছর আগে তিনি পাহারাদারের কাজ নেন। সে সময় শিল্পনগরী দিনভর কর্মচঞ্চল ছিল। শত শত মানুষ ও মালবাহী যানবাহনের আনাগোনা ছিল। এখন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাবে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, যার কারণে মানুষের আনাগোনা কমে গেছে।
বাণিজ্যিক এই এলাকার হাওলাদার ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে দেখা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটরের সাহায্যে প্রতিষ্ঠানের কাজ চলছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও বিসিক শিল্পনগরীর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন বলেন, কারখানা চালাতে প্রতি মাসে লাইনের গ্যাস ও বিদ্যুৎ মিলিয়ে তিন লাখ টাকার জ্বালানি খরচ হতো। ঘন ঘন লোডশেডিং ও লাইনের গ্যাসে চাপ না থাকায় সাত থেকে আট লাখ টাকার সিলিন্ডার গ্যাস কিনতে হচ্ছে। জেনারেটরে লাখ টাকার তেল পুরতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন খরচ চার-পাঁচ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গত দুই বছরে ৩০ ভাগ উৎপাদন কমে গেছে। প্রতি মাসে তাঁকে লোকসান গুনতে হচ্ছে। চাহিদামতো বিদ্যুৎ না থাকায় হাওলাদার ফিশিং নেট কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আকবর হোসেন।